বাংলাদেশ

কুষ্টিয়া শহরের এক মাদকের গড ফাদার

বরতমান মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহাদয় দেশ থেকে চির তরে মাদক নিরসনে জন্য যে মহৎ উদ্দেশ্য ও পদক্ষেপ গ্রহন করিয়াছে, সেই উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্য কুষ্টিয়া শহরের এক মাদক গড ফাদারের তথ্য সম্মানিত কুষ্টিয়ার সম্মানিত প্রশাসনের নিকট প্রদান করিলাম। যে বরতমানে প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে অভিনব কায়দায় কুষ্টিয়ার বিভিন্ন মাদক স্পটে বড় বড় চালান সহ মাদক সাপ্লায় করছে।

নাম- নাহিদ ওরফে নাহিদুল

পিতা- মৃত লুৎফর রহমান

সাং- শালদাহ, হরিপুর, থানা- কুষ্টিয়া সদর, জেলা- কুষ্টিয়া।

বরতমান ঠিকানা- ২৪০-এ, হাউজিং, থানা ও জেলা- কুষ্টিয়া।

নাহিদ সে একজন কুষ্টিয়া শহরে অনেক দিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছে। সে কুষ্টিয়ার একজন মাদক গড ফাদার। তার সাথে কুষ্টিয়া বড় বড় মাদক গড ফাদারদের সাথে ভাল সম্পরকো রহিয়াছে। তার নামে মাদকের অনেক গুলি মামলা বিভিন্ন থানায় রহিয়াছে। প্রশাসনের সদয় অবগতির জন্য নাহিদের নামে মাদকের মামলার কিছু বিবরন নিম্নে দেওয়া হল।

১। নাহিদ মিরপুর থানার ছিনতাই মামলা নং- ০১, তারিখ- ১৪/৪/০৯, ধারা ৩৯৪ দঃ বিঃ যাহার জি আর ৫১/২০০৯ সেশন ১৯/১১ অত্র সেশন জজ ১ম আদালতে বিচারধীন।

২। নাহিদ দৌলতপুর থানার মামলা নং- ১(৬)১৫, ধারা ১৯(১)৭(ক), তারিখ- ৭/৬/১৫, ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য আইনে পালছার মোটরসাইকেল সহ গ্রেপ্তার হয় ১০০ কেজি গাজা সহ।

৩। নাহিদ পাংশা থানার মামলা নং- ১(৮)১৫, তারিখ- ১০/৮/১৫ প্রাইভেট কার সহ ৩০০০ পিছ ফেন্সিডিল বোতল সহ গ্রেপ্তার হয়।

৪। নাহিদ ওরফে নাহিদুল পাংশা থানার মামলা নং- জি আর ৪৩/১৬, তারিখ- ৭/৪/১৬ ইং, গাজা, ইয়াবা ও ফেন্সিডিল নিয়ে বড় একটা চালানন সহ গ্রেপ্তার হয়।

৫। নাহিদের নামে একটি মাডার মামলা রহিয়াছে যাহা কুষ্টিয়া কোটে রায়ের অপেক্ষায় আছে। মামলাটির নাম্বার নিরাপত্তার স্বারথে সংগ্রহ করা সম্ভব হয় নাই।

উপরের উল্লেখ্যিত মামলা গুলো এছাড়াও নাহিদের নামে আরো বেশ কিছু মামলা বিভিন্ন থানায় রহিয়াছে। যাহা সঠিক ভাবে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয় নাই। বরতমানে সে কুষ্টিয়া শহরে হাউজিং ২৪০-এ বাসায় বসবাস করে। এবং সে বাসায় থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মাদকের অডার গ্রহন করে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন স্থানে মাদক সাপ্লায় করছে। এক কথায় সে এখন নিরদিষ্ট কোন স্পটে থেকে মাল সাপ্লায় না দিয়ে ফ্লাইং ভাবে মোবাইলে অডার নিয়ে মোটরসাইকেল দিয়ে মাল ডেলেভারী দিতাছে। এছাড়াও বরতমানে কুষ্টিয়া শহরে অবস্থিত ইসলামিয়া ক্লিনিকের মালিক নিজামের সহযোগিতা নাহিদ প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে অভিনব কায়দায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে এবং সাথে ইসলামিয়া ক্লিনিকের মধ্যে নাহিদ ও নিজাম দুইজন মিলে ক্লিনিকের ব্যবসার আড়ালে নারী দেহ ব্যবসা পরিচালনা করছে। ২/৩ মাস আগে রেব ইসলামিয়া ক্লিনিকে অভিযান চালালে ক্লিনিকটি কিছুদিন বন্ধ রাখা হয়। সে সময় নাহিদ ও নিজাম দুইজন আত্নগোপনে ছিল কিছুদিন।

অতএব সম্মানিত প্রশাসনকে সহযোগিতার লক্ষ্যে আর মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সৎ ও মহৎ উদ্দেশ্য সফল করার লক্ষ্যে এবং দেশকে সম্পূরনো মাদক মুক্ত করার জন্য উপরোক্ত ব্যক্তি সমন্ধে তথ্য প্রদান করা হল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *